মেনু নির্বাচন করুন

নায়েরগাঁও ইউনিয়নের ইতিহাস

নামকরণ ও ইতিহাস

কাচিয়ারা : নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নে  কাচিয়ারা একটি কিংবদমত্মীর গ্রাম। এ গ্রামের কাঞ্চনমালা মতামত্মরে কাঞ্চনরাজার দিঘী নামে একটি প্রকান্ড দিঘি রয়েছে। এখনো রাজবাড়ির অনেক ধ্বংসাবশেষ বর্তমান আছে। একটি বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা রয়েছে। আনুমানিক ৪০০ বছর পূর্বে এ কাঞ্চনরাজার দিঘী খনন করা হয়। আয়তন ১২.৪৩ একর। এর পশ্চিম পাশে কাচিয়ারা রাজবাড়ি যেখানে তিনটি পরিখা রয়েছে। পুকুরের পানি সেচে কমানো যায়না । রাজা বা জমিদারদের বিলাসিতার অনেক চিহ্ন আছে। দাতব্য বা জনসেবার কোন চিহ্ন নাই। নাহার বাড়ি (পানির নহর ছিলো) এখনো বিদ্যমান। জনশ্রম্নতি রয়েছে যে ২০০ লোকের মেজবানির তৈজসপত্র দেবীর কাছে চাওয়া হলে অলৌকিকভাবে তা চলে আসতো রাত ১২টার পর। কাজ শেষে আবার ফেরত দেয়া হতো। কাঁচা দুধ দিয়ে উঠোন লেপা হতো।

নায়েরগাঁওধনাগোদা নদীর পূর্বপাড়ে নায়েরগাঁও গ্রাম অবস্থিত। পূর্বে ইহা কানাচোয়ার হাট বলে অভিহিত ছিলো। কথিত আছে ব্যবসায়ীদের অনেক নাও (নৌকা) বাঁধা থাকতো বলে নায়েরগাঁও নাম ধারণ করে। ক্রেতা বিক্রেতারা নৌকায় বসেই কেনাবেচা সারতো তথা নায়ে নায়ে বেচাকেনা চলতো। এ গ্রামে রামচন্দ্র মল্লিক নামে এক জমিদার ছিলো। জমিদারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ এখনো আছে। মতলব দক্ষিণ উপজেলার মধ্যে নায়েরগাঁও বাজার একটি উল্লেখযোগ্য ব্যবসাকেন্দ্র। এখান থেকে হাজার হাজার মণ আলু সারাদেশে সরবরাহ হয় এবং দেশের বাইরেও রপ্তানী হয়। পূবালী ব্যংকের শাখা, তহসিল অফিস, আইসিডিডিআরবি হাসপাতাল, খাদ্য গুদাম ও ধনাগোদা নদীর ঘাট রয়েছে এখানে।

লাক : এ গ্রামটিকে ঘিরে বহু কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। এ গ্রামের পুকুরে স্বর্ণ পাওয়া যেতো। মগরাজার বাড়ি ছিলো মর্মে দাবি করা হয়। চাঁদ সওদাগরের ডিঙ্গী গাছ কিছুদিন আগে্ও পা্ওয়া যেতো।  আশ্বিনপুর, টেমাই, লাক ও শিবপুর গ্রামে প্রাচীন মগরাজাদের অনেক স্মৃতি আছে। মগরাজারা এ পথে বাণিজ্য করতো। এ শহরের আয় ব্যয়ের কোষাগারের চিহ্ন হিসেবেই দুটি পাকা দালান ছিলো। একটি বাধাঁই করা নৌকার ঘাট ছিলো।